বাচ্চাদের কলিক পেইনের জন্য কোন হোমিও মেডিসিন দেয়া যেতে পারে?

0
4
একটা নবজাত শিশুর একমাত্র ভাষাই হলো কান্না তা আমরা সবাই জানি। ক্ষুধা,ঘুম,ডায়পার চেন্জ ইত্যাদি প্রয়োজনে বাচ্চারা কান্না করে ইঙগিত দিয়ে থাকে যে তাদের কিছু একটা চাই☺
কিন্তু কখনও কখনও এই কান্না হয় অনিয়ন্ত্রিত এবং কোনো প্রয়োজন ছাড়াই। দিনে 3/4 ঘন্টা বা তার বেশি এবং সপ্তাহে 3/4 দিন কয়েক সপ্তাহ এমন কান্নার লক্ষণ দেখা দেয় তবে ধরা যেতে পারে বাচ্চাটি কলিক পেইনে ভুঘছে। এই বিষয়ে ধারণা না থাকার কারণে মা বা পরিবারের অন্যরা হয় বিষয়টাকে খুব হালকা ভাবে নেন,নয়তো খুব টেনশনে পড়ে যান বাচ্চার কি হলো! এইটা ভেবে।
আসলে এতে আতংকিত হওয়ার যেমন কারণ নেই তেমনি হেলাফেলা করাও মোটেই উচিৎ না।
হোমিও ‌চিকিৎসা ক্ষেত্রে রয়েছে এমন কিছু উপযুক্ত মেডিসিন যা বাচ্চার লক্ষণ গুলোর সাথে মিল রেখে নির্বাচন করে যথাযথ মাত্রায় প্রয়োগ করলে অতি অল্প সময়েই এই সমস্যা থেকে শিশুকে মুক্ত করা সম্ভব। নিচে এমন কয়েকটি মেডিসিন নিয়ে আলোচনা করা হলো:
জ্যালাপা: রাত ঘুমানোর জন্য আর দিন জেগে থাকার জন্য। কিন্তু এই মেডিসিনের আয়তায় থাকা শিশুর দিনে ঘুমায় রাতে জেগে থাকে এবং কারণ ছাড়া কান্না করে। যা মা এবং পরিবারের অন্যদের কষ্টের কারণ হয়।
লাইকোপোডিয়াম : শিশু দিনে জেগে থাকে রাতে ঘুমায়,তবে শিশু ঘুম থেকে উঠার পর হাত পা ছুড়ে প্রচুর কান্না করে,মারতে চায়। কোলে থেকে কোনোমতেই নামতে চায় না।
সালফার : শিশুর গোসলে অনিহা কাজ করে। গোসল করার পানি দেখলেই কান্নায় মাতিয়থ তোলে চারদিক!
একোনাইট : শিশু হঠাৎ,হঠাৎ কাঁদতে থাকে। কান্নার কোনো কারণ থাকে না,অথচ এক টানা কাঁদতে থাকে।
এমন আরো কিছু মেডিসিন রয়েছে যা বিশেষজ্ঞ হোমিও ডাক্তার শিশুর সার্বিক লক্ষণ বিবেচনা করে ওষধ সেবনের মাত্রা নির্বাচন করেন। তাই শিশুর এমন সমস্যায় বিচলিত হওয়ার কারণ নেই, নিজে নিজে যেকোনো মেডিসিন প্রয়োগ করাও বোকামি। বরং শিশু কলিক পেইনে ভুগছে বুঝতে পারলে একজন অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here