গর্ভবস্থায় স্বাভাবিক লক্ষন সমুহগুলো কি কি?

0
4
গর্ভবস্থায় স্বাভাবিক লক্ষন সমুহঃ-
গর্ভধারনের প্রথম ৬ সপ্তাহের মধ্যে মহিলারা গর্ভধারনের লক্ষন সমুহ বুঝতে পারে…..কনসিভ করার পর থেকে কিছু লক্ষন সাধারন বা স্বাভাবিক ভাবে প্রকাশ পায়….. এর কিছু আলোচনা করা হল…..
গর্ভবতী মহিলার ঋতুস্রাব বন্ধ হইলে নিম্নলিখিত লক্ষন সমুহ প্রকাশ পায়
প্রথম তিন মাস কাল :-
১। ১ থেকে তিন মাস পর্যন্ত ঋতু বন্ধের ইতিহাস পাওয়া যায়।
২।প্রাতকালে অসেস্তিবোধ দুর্বলতা সকালে বমি বমি ভাব সামান্য বমি ও হয়।
৩। স্তনে ব্যথা অনুভব হয়।
৪।মুখে অরুচিবোধ বা ভিন্নরুচি।
৫।প্রস্রাবে কস্ট বার বার প্রস্রাব ত্যাগের ইচ্ছে
৬।স্তনের বোটার চতুর্দিকে কাল দাগ পড়ে
৭।স্তনের বোটার উপর শিরার দাগগুল স্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠে।
৮।যোনি প্রদেশে বেগুনি রঙ ধরে
৯। যৌনি দেওয়াল পুরু ও নরম…
খ) দ্বিতীয় তিন মাস কাল:-
১।চার হইতে ছয় মাস পর্যন্ত ঋতুস্রাবের বন্ধের ইতিহাস পাওয়া যাবে
২। স্তন বৃদ্ধি পায়
৩।ভ্রুনের নড়াচড়া অনুভুত হয়
৪। পেট বড় হয় মাছ ভাত প্রভৃতির গন্ধ সহ্য হয় না
৫।স্তন হইতে এক প্রকার আঠাল পদার্থ বের হয়
তৃতীয় তিনমাস কাল :-
১।সাত বা তাহার অধিক মাস পর্যন্ত ঋতু বন্ধের ইতিহাস পাওয়া যায়।
২। শ্বাস প্রশ্বাসের অসুবিধা হয়।
৩।ভ্রুনের নড়াচড়া অনুভব করা যায়।
৪।পেট আরো বড় হয়।
৫।পেটে সাদা সাদা দাগ দেখা দেয় ভ্রুনের হৃদস্পন্দন শব্দ শুনতে পাওয়া যায়।
৬। ভ্রুনের শরীরের অংশ হাতে অনুভূব করা যায়।
৭। এক্সরের সাহায্যে ভ্রুনের হাড়ের ছবি দেখা যায়।
🍀গর্ভাবস্থায় অস্বাভাবিক এবং কস্টকর লক্ষন সমূহ…
১।গর্ভাবস্থায় স্রাব থাকা স্বাভাবিক কিন্ত যখন এটি অতিরিক্ত গন্ধ যুক্ত হয় এর জন্য জননাঙ্গে চুলকায় তাহলে চিকিৎসা নিতে হবে।
২। গর্ভাবস্থায় সাধারণত পিরিয়ড বন্ধ থাকে কিন্ত কখনো কখনো এটা দেখা দিতে পারে এতে জননাঙ্গে জ্বালা ও থাকতে পারে যদি অধিক রক্তক্ষরন হয় সাথে অস্বাভাবিক কোন লক্ষন দেখা দেয় দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।
৩।অতিরিক্ত গ্যাস হয়..বুক জালা পেট ফোলা ঢেকুর ইত্যাদি।
৪।অতিরিক্ত মাথা ঘোরা মাথা ব্যথা থাকবে…
৫। বমি অত্যন্ত বেশি হলে অর্থাৎ শুধু পানি মুখে দিলেও বমি হলে এই ক্ষেত্রে চিকিৎসা গ্রহন জরুরি
৬। রোগী অজ্ঞান ও হয়ে যেতে পারে অনেক সময় অতিরিক্ত দূর্বলতার কারনে।
৭।অতিরিক্ত কোষ্ঠকাঠিন্য হবে গর্ভাবস্থায় কোষ্ঠকাঠিন্য স্বাভাবিক ভাবেই হয়ে থাকে সবার কিন্ত সেই সাথে উদরাময় থাকলে এই ক্ষেত্রে গর্ভপাতের আশংকা দেখা দিতে পারে.. চিকিৎসা নেয়া উত্তম।
৮।গর্ভাবস্থায় শেষ দিকে অনেকের শ্বাস কস্ট দেখা দেয় বুক ধড়ফড় করে এই ক্ষেতে বেশি অসুস্থ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।
৮।কাশি,, অনেক সময় কাশি দেখায় দেয় প্রসবের আগে আগে তবে যদি এই কাশি অতিরিক্ত হয় এতে গর্ভপাতের আশংকা আছে।.
৯।স্তনে ব্যথা থাকে তবে সেটা অস্বাভাবিক লাগলে চিকিৎসা নিতে হবে।
১০। অনিদ্রা,,গর্ভাবস্থায় শরীরের কারনে অস্থিরতা হেতু অনেকের ঘুম হয়না তাই এর জন্য রোগী বেশি দূর্বল হয়ে এই ক্ষেত্রে চিকিৎসক এর পরামর্শ মেনে চলা উচিত.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here